সময় চাকা ব্লগের মূল লক্ষ্যই হলো সবার প্রয়োজনীয় বিজ্ঞানের বিষয় সমূহ নিয়ে ব্যাখ্যামূলক লেখা হাজির করা । আর এটা করার মুল কারণটাই হলো বাংলায় আমাদের এই ধরনের লেখা খুব বেশি নেই । আমারা চেষ্টা করব রহস্যকে সমীকরণ থেকে বের করে আনতে ।
বিজ্ঞান আমাদের চারিপাশের প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার কারণ সম্পর্কিত বিদ্যাকে বোঝায়, যেখানে ঘটনার অপার্থিব ব্যাখ্যার চেয়ে প্রাকৃতিক দিকই গুরুত্ব পায়। যুক্তি, তর্ক এবং অন্যান্য দার্শনিক নীতি ব্যবহার করে বিজ্ঞান আপাত ঘটনা পরীক্ষা করে এবং ভৌতিকভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা প্রদান করে। অনেক সময় বিজ্ঞান শব্দটি এই চিন্তা-নিরপেক্ষ জ্ঞানের প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যবহৃত প্রক্রিয়াগুলিকে বোঝাতেও উদ্রিত হয়। অন্যদিকে, ইঞ্জিনিয়ারিং হচ্ছে যন্ত্র বা কৌশল তৈরির প্রক্রিয়া । আর, প্রযুক্তি এই যন্ত্র বা কৌশলগুলিকে বোঝায় যা মানবজাতির জন্য দরকারী কাজ সম্পাদন করে।
সকালে ঘুম থেকে জেগে টয়লেটের সুবিধা,গ্যাস জ্বালিয়ে রান্না, কাজে যাওয়ার গাড়ী, কর্মস্থলের কম্পিউটার, পকেটের মোবাইল, বাসার টেলিভিশন সবকিছুর সাথেই জড়িয়ে রয়েছে বিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রযুক্তির ছোঁয়া । বৈজ্ঞানিক বিদ্যা ছাড়া আজকের মানুষের কর্মকাণ্ড ও মানব সভ্যতার অগ্রগতি কোনটাই সম্ভব নয়।

আমরা হাজার বছর ধরেই চলে এসেছি বিজ্ঞানের চর্চা না করে কিন্তু জীবন খুব সহজ ছিল না । বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার অভাবের কারণে পদে পদেই ছিল বিপদ । গত কয়েকশো বছর যাবত আমরা আমাদের আশেপাশের যত রকমের ঘটনাই ঘটে, কেন তা ঘটে, তার একটা ব্যাখ্যা দাঁড় করাতে পারি এবং সেই অনুযায়ী তার ব্যবস্থা নিতে পারি, আর এতে করে আমাদের জীবন দিনকে দিন কম ঝুঁকিপূর্ণ ও শান্তিময় হচ্ছে । বিজ্ঞানকে ৬ থেকে ৭ টি ভাগে ভাগ করতে পারি – এই ব্লগে সব বিষয়গুলোই পরিবেশনের চেষ্টা করব ।
১) মানব শরীর ও স্বাস্থ্যের বিজ্ঞান
২) খাদ্য ও পানীয়ের বিজ্ঞান
৩) আমাদের বাড়ি ও চারপাশের বিজ্ঞান
৪) জলবায়ু এবং আবহাওয়ার বিজ্ঞান
৫) কনা, মহাবিশ্ব ও আমাদের উৎপত্তির বিজ্ঞান
৬) প্রকৌশল ও প্রযুক্তির বিজ্ঞান
৭) কল্যাণ, ধর্ম, উৎপাদনশীলতা এবং অনুপ্রেরণার বিজ্ঞান
আমরা ব্লগগুলো এই সাতটি ট্যাগে ভাগ করব । এগুলো জানলে সুবিধা হবে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে আর নতুন কিছু জানার ভাল লাগাতো আছেই ।
ফিচার ফটোঃ Pexels free photos
লেখকঃ মোহ বাঙ্গালি